নতুন দাওয়াত ও নতুন পয়গাম

| Author: | Date: Mar 31, 2015 | Time: 3:31 pm | Category: বাংলা ইসলামিক বই, স্যায়েইদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. | No Comment

নতুন দাওয়াত ও নতুন পয়গাম বাংলা বই

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

‘নতুন দাওয়াত ও নতুন পয়গাম’ ইসলামিক বাংলা বইটির প্রথমের কিছু অংশ আপনাদের সুবিধার্থে টাইপ করে দিলাম……

মুসলিম বিশ্বের সামনে আজও দুনিয়ার জন্য নতুন পয়গাম এবং জীবনের জন্য নতুন দাওয়াত অক্ষুন্ন রয়েছে। এটি ঐ পয়গাম যা মুহাম্মদ সা. সাড়ে তেরশ বছর পূর্বে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করেছিলেন। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্পষ্ট পয়গাম। এর চেয়ে জোরালো, উন্নত ও বরকতময় পয়গাম আজ পর্যন্ত দুনিয়ার কোন ভাষায় কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি।

শ্বাশত পয়গাম

এটি বস্তুত ওই পয়গাম যা শুনে মুসলমানগণ মদীনার গন্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছেন বিশ্বময়। মন্তর করেছেন পৃথিবীর আনাচে-কানাচে। ‘তোমরা এপর্যন্ত কিভাবে এসেছো’ ইরানের বাদশার এ প্রশ্নে জবাবে মুসলিম সেনাপতি সংক্ষিপ্ত ভাষায় তাতপর্যপূর্ণ যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন সেই কর্মসূচিতে আজও কোনো পরিবর্তন আসেনি। সেই পয়গাম আজও বহাল রয়েছে। সেনাপতি উত্তরে বলেছিলেন- আল্লাহ আমাদের এ জন্য পাঠিয়েছেন যেন আমরা তার ইচ্ছা অনুযায়ী লোকদেরকে সৃষ্টজীবের পূজা থেকে ফিরিয়ে এক স্রাষ্টার ইবাদতে নিমগ্ন করিয়ে দেই, দুনিয়ার সংকীর্ণতা কাটিয়ে প্রশস্ততায় এবং ধর্মীয় অনাচার ও অবিচার মূলোৎপাটন করে ইসলামের ন্যায়, সাম্য ও সততার মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেই। সহস্রাধিক বছর পূর্বের সেই শ্বাশত পয়গাম আজও এক অক্ষর কম-বেশির প্রয়োজন নেই।

সভ্যতার উৎকর্ষেও যে পয়গামের জন্য উন্মুখ সবাই

একবিংশ শতাব্দীর বর্তমান বিশ্বেও এমনি তরতাজা প্রেক্ষিত বিরাজ করেছে, যা খৃষ্টাব্দ ৬ষ্ঠ শতকের তৎকালীন বিশ্বে বহমান ছিল। আজও লোকেরা হাতে তৈরি নিথর পাথরের মূর্তিকে সেজদা করছে, আজও এক স্রষ্টার ইবাদত অপ্রচলিত ও অপরিচিত। এখনও গায়রুল্লাহর ইবাদতের বাজার সরগরম, প্রকৃতি পূজার ব্যপ্তি সর্বত্র। দুনিয়ার কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব শক্তিশালী ও সম্পদশালীদের হাতে করায়ত্ব, সামাজিক-রাজনৈতিক ও জাতীয় নেতৃত্ব তাগুতের হাতে ন্যস্ত। তাদের সামনে সবাই করোজোড়ে। তাদেরকে সমীহ করা হচ্ছে, তাদের সামনে মাথা ঝুঁকানো হচ্ছে, যেভাবে বাতিল মাবুদের সামনে সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বে মাথা ঝুঁকানো হতো।

বর্তমান মানব সভ্যতা নিজেদের প্রশস্তি, উপকরণের পরিব্যপ্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উৎকর্ষ এবং পারস্পরিক সম্পর্কের অভাবনীয় উন্নতি সত্ত্বেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে সে যুগের চেয়েও অধিক সংকীর্ণতার ডুরে আবদ্ধ। বর্তমান প্রকৃতিপূজারী মানুষেরা দুনিয়াতে অন্য কিছুর অস্তিত্ব মেনে নিতে পারে না। নিজের ফায়দা, প্রবৃত্তির তাড়না ও আত্নপূজা ছাড়া তাদের কোনো জিনিস মনঃপূত নয়। আত্নম্ভরিতার বিশাল সম্রাজ্যে………………………সম্পূর্ণ কিতাবটি পড়তে চাইলে কিতাব ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে এই ইসলামিক বইটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *