নয়াখুন

| Author: | Date: Mar 31, 2015 | Time: 3:51 pm | Category: বাংলা ইসলামিক বই, স্যায়েইদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. | No Comment

নয়া খুন বাংলা ইসলামিক বই

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. লিখিত নয়াখুন বইটির কিছু অংশ টাইপ করে দেয়া হলো……

কোন দেহ সুস্থ, সঠাম ও সবল থাকতেই পারে না যদি তার মাঝে নতুন ও সতেজ খুনের সৃষ্টি না হয়। আর কোন বৃক্ষও সতেজ থাকতে পারে না যদি তার মাঝে নতুন নতুন পাতা আর তরতাজা ডালপালা না গজায়। ঠিক তেমনি উম্মতে মুসলিমাও একটি দেহ সমতুল্য যার মাঝেও সব সময় নতুন ও সতেজ খুনের সঞ্চারণ হওয়া অতীব প্রয়োজন।

মুসলিম জাতির সদা সতেজ বৃক্ষটি সর্বদা নতুন ও কচি কোমল পাতা আর তরতাজা ডালপালার জন্ম দিয়ে আসছে। সেই সাথে মলিন পুরাতন ও জীর্ণশীর্ণ লেবাস-পোশাক পরিহার করে সদা সদ্য শুচি-শুভ্র পোশাকে আবৃত হয়েছে। মননশীল চিন্তাশক্তি, সামাজিক ও দলবদ্ধ শক্তি, নিষ্ঠা ও চঞ্চলতা, খান্দানী দক্ষতা ও বিচক্ষণতা, নানাবিধ গুণাগুণ, পৈত্রিক ভদ্রতা ও শরাফত, সৃষ্টিগত হিম্মত ও বীরত্ত্বের মত মহামূল্যবান যোগ্যতা সমূহ যা শতাব্দীকাল ধরে নিজ নিজ স্থানে জন্মেছিল এবং সাধারণ ও অতি নগণ্য বিষয়ে বা অকল্যাণকর কাজে নষ্ট ও বরবাদ হত, এসব অমূল্য যোগ্যতা ইসলামের কারণে মুসলিম জাতীর জতীয় ধনভান্ডারে জমা হয়ে ইসলামের সম্পদের পরিণত হয়েছিল। নানান বাগানের নানান ফুল, হরেক বাগিচার বৈচিত্রময় ফুলকলি এ উম্মতের কন্ঠহার হিসাবে শোভা পেত। কেউ ইরানী, কেউ খুসরাণী, কেউ ইস্পাহানী, কেউ হিন্দুস্থানী, আবার কেউ মিসরী, কেউ ইয়ামানী, প্রত্যেকেরই এক বিশেষ রং, মানানসই শোভন, প্রত্যেকেই নিজের দেশীয় ও জাতিগত এবং বংশীয় ও পৈত্রিক সম্পদ অন্যান্য জাতির কাছে থাক ছিল অত্যন্ত অকল্পনীয় বিষয়। যা-ও ছিল তা অত্যন্ত বিরল। আর এভাবেই মানবতার ফুল-বাগিচার রঙ-বেরঙের ফুলফল ইসলামের খেদমতে ডালা ভরে এসেছে। ফলে ইসলাম এখন শুধু আরব জাতি বা আদনান্ বংশের গোষ্ঠীগত গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্যেরই মালিকানাধীন নয়, বরং জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সারা জগতের চিন্তাশক্তি, স্বাভাবগত শরাফত ও গোষ্ঠীগত বৈশিষ্ট্যের মালিক হয়ে গেছে।  সুতরাং কোন জাতি, চাই চিন্তাশক্তি, প্রজ্ঞারক্ষেত্রে যতই উন্নতি ও অগ্রগামী হোক না কেন, এ উম্মতের সাথে চিন্তা ও জ্ঞান -বিজ্ঞান ও দৈহিক গঠনের ক্ষেত্রে এক পাল্লায় মাপা সম্ভব নয়। কারণ এজাতির মাঝে সকল জাতির ওজন ও তার দেহে দুনিয়ার সকল জাতির চঞ্চলতা ও উদ্দাম কর্মশক্তি এসে গেছে..…………………..

সম্পূর্ণ বইটি পড়ার জন্য কিতাবটির ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *